shomoynew_wp969 ধর্ষণের অভিযুক্ত সৌদিপ্রবাসীর সঙ্গে কিশোরীর বিয়ে, ভেস্তে গেল ১৩ লাখে দফারফা | সারাবাংলা | Daily Mail | Popular Online News Portal in Bangladesh

শুক্রবার, ৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৪শে মাঘ ১৪৩২


ধর্ষণের অভিযুক্ত সৌদিপ্রবাসীর সঙ্গে কিশোরীর বিয়ে, ভেস্তে গেল ১৩ লাখে দফারফা


প্রকাশিত:
১ জানুয়ারী ২০২৫ ০৮:১১

আপডেট:
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫৩

ফাইল ছবি

অবশেষে আব্দুর রব নামের ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এক সৌদিপ্রবাসী সঙ্গে ভুক্তভোগী কিশোরীর বিয়ে হয়েছে। মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ আদালতে হলফনামার মাধ্যমে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। দেনমহর হিসেবে ৫ লাখ টাকা ধার্য করা হয়। আর বিয়েতে কিশোরীর পক্ষে বাবা ও খালুকে সাক্ষী হিসেবে রাখা হয়।

বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুক্তভোগী কিশোরীর ভাই।

এর আগে, সালিশে ১৩ লাখ টাকায় ধর্ষণের বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মাধ্যমে দফারফা হয়।

জানা গেছে, সোনারগাঁয়ে বারদী ইউনিয়নের আব্দুর রব নামের এক সৌদিপ্রবাসীর ধর্ষণের শিকার হয়ে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে সালিশ বসে। সেখানে ১৩ লাখ টাকায় বিষয়টি দফারফা হয়। বারদী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান মিয়া এবং বারদী ইউপির সাবেক সদস্য ও ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির এ রফাদফা করে দেন। এ টাকা থেকে তারা দু’জন তিন লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন বলেও অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের ৫ দিন পর অবশেষে অভিযুক্তের সঙ্গে ওই কিশোরীর বিয়ে হয়েছে।

সালিশে উপস্থিত থাকা এক ব্যক্তি নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, ১৩ লাখ টাকা রফাদফার পরও বিএনপির দুই নেতাকে আরও ৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এ তিন লাখ টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করেন।

ভুক্তভোগী কিশোরীর ভাই বলেন, মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ আদালতে একজন আইনজীবীর মাধ্যমে হলফনামা করে বোনের বিয়ে হয়েছে। এ বিষয়টি জানানোর পর তিনি মোবাইল ফোনের সংযোগ কেটে দেন। পরে একাধিকবার কল করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।

বারদী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, টাকা আত্মসাতের বিষয়টি সত্য না। তবে এলাকায় একটা ঘটনা ঘটেছে। এটা মিমাংসা করতেই সালিশে বসা হয়েছে। কিশোরী ও অভিযুক্তের কথা শুনে বৈঠকে এলাকাবাসী ১৩ লাখ টাকায় দফারফা করে দেন।

অপর নেতা বারদী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির বলেন, সালিশ করেছি সত্য। তবে জরিমানার ৩ লাখ টাকা মেয়ের খালুর কাছে জমা দিয়েছিলাম। সেই টাকার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমাদের বিরুদ্ধে মানুষ অপপ্রচার চালাচ্ছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : editordailymail@gmail.com, newsroom.dailymail@gmail.com
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top