shomoynew_wp969 চার বছর ধরে খাবার পানি নেই শজিমেক হাসপাতালে | সারাবাংলা | Daily Mail | Popular Online News Portal in Bangladesh

বৃহঃস্পতিবার, ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩শে মাঘ ১৪৩২


চার বছর ধরে খাবার পানি নেই শজিমেক হাসপাতালে


প্রকাশিত:
২ মার্চ ২০২৩ ১৯:২৪

আপডেট:
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৪৭

ফাইল ছবি

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে বিশুদ্ধ পানির অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। দিনে অন্তত কয়েকবার হাসপাতালের বাইরে বগুড়া-রংপুর মহাসড়ক পার হয়ে বিশুদ্ধ পানির জন্য যেতে হয়। মহাসড়ক পার হতে গিয়ে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। এভাবে চার বছর পেরিয়ে গেলেও হাসপাতাল ভবন ও প্রাঙ্গনে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

মাস চারেক আগের ঘটনা। অসুস্থ এক স্বজনকে শজিমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন ২৬ বছরের রাবেয়া আক্তার তাসলিমা। তিনি বগুড়া সদরের মালগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। বিশুদ্ধ পানির জন্য হাসপাতাল থেকে বের হয়ে হেঁটে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। তখনই দ্রুতগতির একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এ যাত্রায় কোনোরকম বেঁচে গেলেও এখনো বিছানা থেকে উঠতে পারেন না। হাত, পা ও কোমরের হাড় ভেঙে গেছে তার।

এদিকে গত ২ ফেব্রুয়ারি পানির জন্য মহাসড়ক পার হতে গিয়ে হাসপাতালে রোগীর সঙ্গে আসা ঝর্ণা বেগম নামের আরও একজন দুর্ঘটনার শিকার হন। ৩৮ বছরের ঝর্ণা বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার হাঁসরাজ গ্রামের বাসিন্দা। বাসের ধাক্কায় তার ডান পা ভেঙে গেছে।

শুধু ঝর্ণা কিংবা তাসলিমাই নন। তাদের মতো আরও অনেক রোগীর স্বজনরা প্রতিনিয়ত ছোট-বড় নানা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

বগুড়া-রংপুর মহাসড়ক পার হয়ে খাবার পানি সংগ্রহ করছেন রোগীর এক স্বজন
জানা গেছে, শজিমেক হাসপাতালে বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, নাটোরসহ আশপাশের জেলার রোগীর সংখ্যা বেশি হলেও এই হাসপাতালে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলা থেকেই রোগী আসেন।

শজিমেক হাসপাতালের পাশে পাঁচ বছর ধরে ব্যবসা করছেন আব্দুল ওহাব মণ্ডল। এখানে তার একটি প্লাস্টিক কারখানা আছে। তিনি বলেন, মাঝেমধ্যেই শজিমেক হাসপাতালের সামনের সড়কে দুর্ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। দুর্ঘটনার শিকার অধিকাংশই বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজনে হাসপাতাল থেকে বের হন। মহাসড়ক পার হয়ে হাসপাতাল সংলগ্ন ফার্মেসিগুলোর সামনে একটি হস্তচালিত নলকূপ আছে। সেখানে পানি নিতে আসেন রোগীর স্বজনরা।

আশরাফুল ইসলাম ও জহুরুল ইসলামসহ অন্তত ২০ জন রোগীর স্বজন জানান, শজিমেক হাসপাতালে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নেই। এ কারণে হাসপাতালের বাইরে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পানি আনতে হয়। অনেক সময় হাসপাতালের টয়লেটের ট্যাব থেকেও নোংরা পানি পান করতে বাধ্য হন তারা।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে শজিমেক হাসপাতালের উপপরিচালক মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানির ট্যাব রয়েছে। রোগীর স্বজনরা না বুঝেই বাইরে পানি আনতে যান।

তবে রোগীর স্বজন হযরত আলী ও মাহবুবুর রহমান বলেন, হাসপাতালের ট্যাবগুলোর পানি ময়লাযুক্ত। এই পানি পান করার উপযুক্ত নয়। এরপরও অনেক সময় বাধ্য হয়ে এই নোংরা পানি পান করতে হয়।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : editordailymail@gmail.com, newsroom.dailymail@gmail.com
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top