shomoynew_wp969 দেশে ডিজিটল ডিভাইস ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করেছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রী | জাতীয় | Daily Mail | Popular Online News Portal in Bangladesh

বৃহঃস্পতিবার, ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩শে মাঘ ১৪৩২


দেশে ডিজিটল ডিভাইস ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করেছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রী


প্রকাশিত:
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২০:২৩

আপডেট:
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:২২

 ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘১৯৯৬ সালে যখন আমি ক্ষমতায় আসি তখন দেশে একটিমাত্র টেলিভিশন, একটি রেডিও ও সামান্য কয়েকটি পত্রিকা ছিল। আমি সরকারে আসার পর গণমাধ্যমে বেসরকারি খাতের অন্তর্ভুক্তি উন্মুক্ত করে দিলাম। শুধু তাই নয়, টেলিফোন ছিল অ্যানালগ, ডিজিটাল করে দিলাম। মোবাইল ফোন ব্যবহার করা, কম্পিউটার শিক্ষা, এই যে ডিজিটল ডিভাইস ব্যবহারের ওপর ট্রেনিং, এগুলোর ব্যবস্থা আমরাই করে দিয়েছি।’

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের ৭৭তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আছেন প্রধানমন্ত্রী।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ফলে বাংলাদেশে এক ধরনের ভয়ের সংস্কৃতি চালু হয়েছে, যার ফলে সংবাদমাধ্যমগুলো ‘সেলফ সেন্সরশিপ’ চর্চা করছে- ভয়েস অব আমেরিকার এমন বিষয় তুলে ধরা হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের ৪৪টি টেলিভিশনের অনুমোদন দেওয়া আছে, সেখানে প্রায় ৩২টি টেলিভিশন এখন চলছে। সেখানে যারা যান, কথা বলেন, বিশেষ করে টক শো প্রোগামটাতে খুব বেশি কথা হয়। তারা সারাদিন কথা বলে। সরকারকে গালি দেওয়া, সমালোচনা করা, প্রত্যেকটা কাজে সত্য-মিথ্যা যে যেভাবে পারছে, বলছে। সব কথা বলার পর কেউ যদি বলে ‘‘আমাকে কথা বলতে দিলো না’’, তার কী জবাব আছে? ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘একসময় দেশে প্রতি রাতে কারফিউ জারি করা হতো, মানুষ রাস্তায় বের হতে পারত না। একটা মানুষ যে কথা বলবে, প্রতিবাদ করবে সে অধিকারটা ছিল না। একটা কথা প্রচলিত ছিল যে, সাদা একটা মাইক্রোবাস কাউকে তুলে নিলে তাকে আর ফিরে পাওয়া যেত না। আমাদের সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনীর হাজার হাজার অফিসার-সৈনিক, তাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।’

বাংলাদেশ কেন আর কোনো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেবে না, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। আমাদের নানা সংকট রয়েছে। রোহিঙ্গারা যখন এসেছে তখন তাদের চল্লিশ হাজার মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা ছিল। আমরা তাদের চিকিৎসা ও সন্তান জন্ম দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এতে করে রোহিঙ্গাদের মাঝেই জনসংখ্যা আরও বেড়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনার সময় আমরা রোহিঙ্গাদের ভ্যাকসিনও দিয়েছি। কিন্তু দিন শেষে আমাদেরও তো সীমাবদ্ধতা আছে। বনভূমি উজাড় করে তাদের বাসস্থান তৈরি করতে গিয়ে পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এই চাপ সামলানো আমাদের জন্য একপ্রকার বোঝা। তাই আমরা বলেছি, এখন বিভিন্ন সংস্থা এগিয়ে এসে রোহিঙ্গাদের নিজের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে হবে।’



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : editordailymail@gmail.com, newsroom.dailymail@gmail.com
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top