shomoynew_wp969 ঋতু পরিবর্তনে সর্দি-কাশি? জেনে নিন ঘরোয়া প্রতিকার | লাইফস্টাইল | Daily Mail | Popular Online News Portal in Bangladesh

বৃহঃস্পতিবার, ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২শে মাঘ ১৪৩২


ঋতু পরিবর্তনে সর্দি-কাশি? জেনে নিন ঘরোয়া প্রতিকার


প্রকাশিত:
৩ মে ২০২৫ ০১:০১

আপডেট:
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:১৪

ছবি সংগৃহীত

সর্দি-কাশি বেশ পরিচিত সমস্যা, বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তন বা ঠান্ডার মাসগুলোতে। যদিও এ সমস্যা সমাধানের ওষুধ পাওয়া যায়, তবুও অনেকেই এমন প্রাকৃতিক প্রতিকার পছন্দ করেন যা শরীরের জন্য ভালো এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত। এমন একটি কার্যকর ঘরোয়া প্রতিকারে রান্নাঘরে থাকা মাত্র তিনটি সাধারণ উপাদান ব্যবহার করা হয়: মধু, আদা এবং লেবু। এই উপাদানগুলো শক্তিশালী, প্রশান্তিদায়ক মিশ্রণ তৈরি করে যা স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা এবং কাশির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

১. মধুর উপকারিতা

মধু গলা ব্যথা এবং কাশির জন্য একটি সুপরিচিত প্রাকৃতিক প্রতিকার। এর ঘনত্ব গলায় আবরণ তৈরি করতে সাহায্য করে, জ্বালা কমায় এবং কাশির তাড়না দমন করে। মধুতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যও রয়েছে, যা শরীরকে ঠান্ডা বা কাশির সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, মধু অনেক ক্ষেত্রে কাশির ওষুধের চেয়ে বেশি কার্যকর, বিশেষ করে এক বছরের বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে।

২. আদার উপকারিতা

আদা হলো আরেকটি শক্তিশালী উপাদান যা অনেক ঐতিহ্যবাহী ওষুধে ব্যবহৃত হয়। এতে জিঞ্জেরল এবং শোগাওল নামক যৌগ রয়েছে, যার প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আদা গলার প্রদাহ এবং কফ কমাতে সাহায্য করে এবং ঘাম বাড়ায়, যা জ্বর কমাতে সাহায্য করে। এর প্রাকৃতিক উষ্ণতা গলা এবং সাইনাসের জ্বালাপোড়ায় তাৎক্ষণিক আরাম দেয়। তাজা আদার রস বা মিহি করে কুঁচকানো আদা এই প্রতিকারের জন্য সবচেয়ে ভালো।

৩. লেবু

লেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সহায়তা করে এবং শরীরকে দ্রুত ঠান্ডা থেকে সেরে উঠতে সাহায্য করে। লেবুর রসের অ্যাসিডিটি শ্লেষ্মা এবং কফ ভেঙে ফেলতেও সাহায্য করে, যা এটিকে বের করে দেওয়া সহজ করে তোলে। তাছাড়া, লেবু সতেজ স্বাদ যোগ করে যা আদার মসৃণতা এবং মধুর মিষ্টিত্বের ভারসাম্য বজায় রাখে।

মধু-আদা-লেবু প্রতিকার কীভাবে প্রস্তুত করবেন

উপকরণ

১ টেবিল চামচ মধু

১ চা চামচ আদার রস (আদা কুচি করে রস বের করে নিন)

১ চা চামচ লেবুর রস

যেভাবে তৈরি করবেন

একটি ছোট পাত্রে তিনটি উপাদানই ভালোভাবে মিশ্রিত না হওয়া পর্যন্ত মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি দিনে দুই-তিনবার খান, বিশেষ করে সকালে এবং ঘুমানোর আগে। অতিরিক্ত আরামের জন্য এক কাপ গরম পানি বা ভেষজ চায়ে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

সতর্কতা

যদিও এই প্রতিকারটি সাধারণত নিরাপদ, তবে এক বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য উপযুক্ত নয়। যাদের অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা যেকোনো উপাদানের প্রতি অ্যালার্জির মতো সমস্যা রয়েছে, তাদের ব্যবহারের আগে একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : editordailymail@gmail.com, newsroom.dailymail@gmail.com
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top