shomoynew_wp969 পাকিস্তানকে আরও ১২০ কোটি ডলার ঋণ দিল আইএমএফ | আন্তর্জাতিক | Daily Mail | Popular Online News Portal in Bangladesh

বুধবার, ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২শে মাঘ ১৪৩২


পাকিস্তানকে আরও ১২০ কোটি ডলার ঋণ দিল আইএমএফ


প্রকাশিত:
৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:১১

আপডেট:
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৫৮

ফাইল ছবি

বৈদেশিক রিজার্ভ সংকটে ভুগতে থাকা পাকিস্তানকে ঋণ হিসেবে আরও ১২০ কোটি ডলার প্রদান করেছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণদাতা সংস্থা আইএমএফ। আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতে এ তথ্য জানিয়েছে আইএমএফের নির্বাহী বোর্ড।

নির্বাহী বোর্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি সংক্রান্ত তথ্য দ্বিতীয় দফায় পর্যালোচনা করার পর আইএমএফের নির্বাহী বোর্ড দেশটিকে আরও ১২০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শর্ত হলো, ঋণের এই অর্থের মধ্যে ১০০ কোটি ডলার নিয়মিত অর্থনৈতিক কার্যক্রম এবং বাকি ২০ কোটি ডলার জলবায়ু সংক্রান্ত বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবিলা সংক্রান্ত অবকাঠামো নির্মাণ ও কর্মসূচিতে ব্যয় করতে হবে।”

এর আগে ২০২৪ সালে, অর্থাৎ গত বছর দুই দফায় পাকিস্তানেকে মোট ৩৩০ কোটি ডলার ‍ঋণ দিয়েছিল আইএমএফ। শর্ত ছিল, আগামী ৩৭ মাসে কিস্তিতে এই অর্থ পরিশোধ করবে ইসলামাবাদ। সেই ৩৩০ কোটি ডলারের সঙ্গে যুক্ত হলো এই ১২০ কোটি ডলার।

গত কয়েক দশক ধরে আইএমএফ থেকে ‍ঋণ নিচ্ছে পাকিস্তান। তবে করোনার পর থেকে বৈদেশিক রিজার্ভ কমে যাওয়ায় বর্তমানে ঋণ পেতে অনেক সাধ্য-সাধনা করতে হচ্ছে ইসলামাবাদকে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এক বিবৃতিতে আইএমএফের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, “আইএমএফের এই ‍ঋণ মঞ্জুর প্রমাণ করছে যে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংস্কার সঠিক পথে আছে।”

সংস্কার কর্মসূচিতে সহযোগিতা করার জন্য পাকিস্তানের সেনা ও প্রতিরক্ষাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনিরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শেহবাজ এবং বিশেষভাবে প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থমন্ত্রী মুহম্মদ আওরঙ্গজেবের। তিনি বলেছেন, এই ‍ঋণের কিস্তি প্রাপ্তির পেছনে মুহম্মদ আওরঙ্গজেবের ‘অক্লান্ত পরিশ্রমের’ বড় ভূমিকা আছে।

২০২৪ ও ২০২৫ সালে প্রবল বর্ষণ ও তার ফলে সৃষ্ট বন্যা-ভূমিধসে ব্যাপকভাবে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে পাকিস্তান। আইএমএফের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত কারণে বার বার প্রতিবন্ধকতা এলেও পাকিস্তান নিজেদের রিজার্ভ বৃদ্ধি থেকে মনযোগ সরায়নি। বর্তমানে দেশটির ডলারের রিজার্ভের পরিমাণ ১ হাজার ৪৫০ কোটি ডলার এবং নিকট ভবিষ্যতে এই পরিমাণ আরও বাড়বে এমন ইঙ্গিত সম্পর্কে নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে।

ঋণের কিস্তি মঞ্জুরের ক্ষেত্রে রিজার্ভবৃদ্ধির এই ব্যাপারটি প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে আইএমএফ।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : editordailymail@gmail.com, newsroom.dailymail@gmail.com
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top