shomoynew_wp969 যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণায় ডব্লিউএইচওর পাশে দাঁড়াল চীন | আন্তর্জাতিক | Daily Mail | Popular Online News Portal in Bangladesh

শুক্রবার, ৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৪শে মাঘ ১৪৩২


যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণায় ডব্লিউএইচওর পাশে দাঁড়াল চীন


প্রকাশিত:
২১ জানুয়ারী ২০২৫ ০৭:৪৯

আপডেট:
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩৩

ছবি সংগৃহীত

প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণের পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জাতিসংঘের বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিষয়ক অঙ্গসংগঠন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বৈশ্বিক জলবায়ু বিষয়ক লক্ষ্যমাত্রা প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এ পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ এ দুই অঙ্গকে এগিয়ে নিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ঘোষণা দিয়েছে চীন। মঙ্গলবার সকালে রাজধানী বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দপ্তরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন বলেন, “চীন বিশ্বাস করে, বিশ্ব মানবতা রক্ষার স্বার্থে এমন একটি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা থাকা উচিত, যার ভিত্তি হলো বিভিন্ন দেশ ও জাতির মধ্যকার আদান-প্রাদন। ডব্লিউএইচও এই দায়িত্বটি পালন করছে এবং এ কারণে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতি চীনের সমর্থন সবসময় অব্যাহত থাকবে। অদূর ভবিষ্যতে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংস্থা দুর্বল নয়, বরং শক্তিশালী হবে।”

প্যারিস চুক্তির প্রতি চীনের সমর্থন থাকবে উল্লেখ করে জিয়াকুন বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তন হলো এমন একটি চ্যালেঞ্জ, যা মোকাবিলার দায়িত্ব বিশ্বের সব দেশের, সব জাতির, সব মানুষের। এটি এমন একটি চ্যালেঞ্জ, যার ফলে কোনো একক দেশ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, তেমনি কোনো একটি দেশের পক্ষে এটির সমাধান বের করাও সম্ভব নয়।”

“তাই জলবায়ু পরিবর্তন নামের এ বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় চীন সবার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পক্ষপাতী।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতি অবশ্য ট্রাম্পের ক্ষোভ পুরোনো। ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে কোভিড মহামারির সময় ট্রাম্প অভিযোগ তুলেছিলেন— করোনা ভাইরাস চীনের উহানের জৈব গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে এবং ল্যাবকর্মীদের অসাবধানতার কারণে এটি ছড়িয়ে পড়েছে। ডব্লিউএইও এ অভিযোগে সমর্থন না জানানোয় ক্ষুব্ধ হন ট্রাম্প এবং বৈশ্বিক এ সংস্থায় অর্থায়ন বন্ধ করেন। প্রসঙ্গত, বিশ্ব সংস্থার সবচেয়ে বড় দাতাদেশ যুক্তরাষ্ট্র। এ সংস্থার মোট বাৎসরিক চাঁদার ১৫ শতাংশই আসে ওয়াশিংটনের তরফ থেকে।

অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধের জন্য ২০১৫ সালে প্যারিসে জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষর করে যুক্তরাষ্ট্রসহ জাতিসংঘের ১৯৬টি সদস্যরাষ্ট্র। বারাক ওবামা তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

তার উত্তরসূরি হিসেবে ২০১৭ সালে নির্বাচিত হন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জলবায়ু পরিবর্তনকে পরিবেশবাদীদের ‘বাগাড়ম্বর’ উল্লেখ করে ২০১৮ সালে এ চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে আনেন তিনি।

২০২০ সালে ডেমোক্র্যাট পার্টির প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে ক্ষমতা হারান ট্রাম্প। তিনি ক্ষমতা গ্রহণের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ফের চাঁদা প্রদান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র, প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতেও আবার অন্তর্ভুক্ত হয়।

তারপর ২০২৪ সালের নির্বাচনে জিতে গতকাল ২০ জানুয়ারি সোমবার ফের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ডব্লিউএইচও এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিলেন তিনি।

তার এ পদক্ষেপে উদ্বিগ্ন বেইজিংও। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে জিয়াকুন এ প্রসঙ্গে বলেন, “এ ধরনের পদক্ষেপ সহযোগিতাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে বাধাগ্রস্ত করবে।”



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : editordailymail@gmail.com, newsroom.dailymail@gmail.com
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top