shomoynew_wp969 সিনেমা দেখে গুপ্তধনের খোঁজে গ্রামবাসী, রাতভর চলল মাটি খোঁড়াখুঁড়ি! | বিনোদন | Daily Mail | Popular Online News Portal in Bangladesh

বৃহঃস্পতিবার, ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩শে মাঘ ১৪৩২


সিনেমা দেখে গুপ্তধনের খোঁজে গ্রামবাসী, রাতভর চলল মাটি খোঁড়াখুঁড়ি!


প্রকাশিত:
৯ মার্চ ২০২৫ ০১:০০

আপডেট:
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:০৯

ছবি সংগৃহীত

মুক্তির পর থেকেই আলোচনায় ভিকি কুশল- রাশমিকা মান্দানা অভিনীত ছবি ‘ছাবা’। খুব অল্প দিনেই ৫০০ কোটির গণ্ডি টপকে বক্স অফিসে ঝড় তুলে দিয়েছে ছবিটি। শুধু তাই নয়, দর্শকদের মনস্তত্ত্বেও ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে ফেলেছে এই ছবি। তবে এর প্রভাব যে মারাত্মক সুদূরপ্রসারী হবে, তা হয়ত কেউ কল্পনাতেও আনেনি। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, এই সিনেমা দেখে গুপ্তধনের খোঁজে বেরিয়েছে একদল গ্রামবাসী; রাতভর চলেছে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি! ভারতের মধ্যপ্রদেশের একটি গ্রামে ঘটেছে এমন অদ্ভুত ঘটনা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, হঠাৎ করেই রাতের অন্ধকারে টর্চ, শাবল হাঁতে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন সেই গ্রামের বাসিন্দারা। বুরহানপুরের আসিরগড় নামের একটি জায়গায় খননকাজে মধ্যরাতেই বেরিয়ে পড়েন তারা। তাদের ধারণা, মাটি খুঁড়ে মুঘল আমলের কিছু স্বর্ণমুদ্রা কিংবা গুপ্তধনের হদিশ মিললেও মিলতে পারে। অনেকে আবার দাবি করেছেন, ওই এলাকায় নাকি কেউ কেউ স্বর্ণমুদ্রাও দেখতে পেয়েছেন।

বলা বাহুল্য, ভিকি কৌশলের ‘ছাবা’ দেখার পর সেই ভাবনা আরও চাগাড় দিয়েছে। কারণ সেই ছবিতে বুরহানপুরের নাম নেওয়া হয়েছে। দেখানো হয়েছে, এককালে মুঘলদের বাস এখানেই ছিল। আর সেখান থেকেই তাদের মনে হয়েছে- এখানেই লুকিয়ে রয়েছে মুঘলদের গুপ্তধন। আর এটি জানার পরই যন্ত্রপাতি নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন গ্রামবাসীরা।

জানা গেছে, দুর্গের চারপাশেই একটানা চলেছে খননকার্য। এমনকি মেটাল ডিটেক্টর দিয়েও চারপাশ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে, সোনাদানা কোথাও লুকিয়ে রাখা রয়েছে কি না। আসিরগড়ের বাসিন্দাদের এহেন খোঁড়াখুড়িতে বেজায় বিরক্ত সেই অঞ্চলের জমির মালিকরা। বিষয়টি কানে যায় প্রশাসনেরও।

যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত বৃহস্পতিবার সেই অঞ্চলে গিয়ে খোঁড়াখুড়ি করা জনতার কোনো হদিশ পাওয়া যায়নি। পরে পুলিশের সাহায্যে গ্রামবাসীদের খননকার্য বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়। এমনকি সেই অঞ্চলে গুপ্তধন পাওয়ার সম্ভাবনাও তারা উড়িয়ে দিয়েছেন।

তবে সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর পক্ষ থেকে সেই ভিডিও প্রকাশ্যে এলো- আর তাতেই ইন্টারনেটে হাসির রোল। সেখানেই দেখা গেল, গ্রামবাসীরা শাবল-গাঁইতি, এমনকি কোদাল দিয়ে দুর্গের চারপাশে খননকার্য শুরু হয়েছে। আনা হয়েছে মেটাল ডিটেক্টরও। আর বুরহানপুরের সেই আজব কীর্তিই বর্তমানে চর্চার শিরোনামে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : editordailymail@gmail.com, newsroom.dailymail@gmail.com
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top