shomoynew_wp969 ‘ট্রাম্পের শুল্ক দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে’ | অর্থনীতি | Daily Mail | Popular Online News Portal in Bangladesh

বুধবার, ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২শে মাঘ ১৪৩২


‘ট্রাম্পের শুল্ক দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে’


প্রকাশিত:
৩০ আগস্ট ২০২৫ ০৭:৫৭

আপডেট:
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:১৫

ছবি ‍সংগৃহিত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ও জাতীয় শ্বেতপত্র কমিটির সদস্য ড. জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, ‘২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরেছে, কর্মচাঞ্চল্যও বেড়েছে।’

শনিবার (৩০ আগস্ট) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত এক আলোচনায় এসব কথা বলেন জাহিদ হোসেন।

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘অর্থনীতিতে যে স্থিতিশীলতা ফিরেছে তার কারণ হচ্ছে, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার পেছনে যারা ছিলেন, তারা ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে। দেশ থেকে অর্থপাচার বন্ধ হয়েছে। হুন্ডি কমে গেছে, বৈদেশিক মুদ্রা বৈধপথে দেশে আসছে। অন্যদিকে ব্যাংকের লুটপাট বন্ধ হয়েছে।’

ড. জাহিদ বলেন, ‘এছাড়া আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যেসব সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে, সেগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির পক্ষে গেছে। বিশেষ করে ডলারের দাম কমে যাওয়া উল্লেখযোগ্য।’

একটি বিশ্লেষণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ভারত এবং চীনের উপরে ট্রাম্প প্রশাসন যে হারে শুল্ক আরোপ করেছে, তাতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের সামনে মার্কিন বাজারে ২০৫ কোটি ডলারের বেশি রফতানি করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের তুলনায় ভারতের ওপর ৩০ শতাংশ বেশি শুল্কারোপ করায় ১২০ থেকে ২০৭ কোটি ডলার বেশি রফতানি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আর চীনের ওপরে বেশি শুল্কারোপ করার কারণে সাত থেকে পঁচিশ মিলিয়ন ডলার বেশি রফতানি হতে পারে মার্কিন বাজারে।’

তিনি বলেন, ‘সার্বিকভাবে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের ফাঁদে আটকে পড়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, দুর্দশাগ্রস্ত ব্যাংক খাত, লজিস্টিক সিস্টেমের দুর্বলতা, লেবার মার্কেটের উন্নয়ন না হওয়া, প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয় এর অন্যতম কারণ।’

ড. জাহিদ বর্তমান সরকারের সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কে বলেন, ‘রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলেই যে সংস্কার হবে তার নিশ্চয়তা নেই। সংস্কার করার জন্য রিফর্ম ডেলিভারি ক্যাপাসিটি থাকতে হবে। এক্ষেত্রে উপদেষ্টা পরিষদ, প্রশাসন, ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও নাগরিক সমাজের যৌথ বা সমন্বিত উদ্যোগ দরকার। এই চারটি পক্ষ যৌথভাবে কাজ না করলে সংস্কার কোথাও না কোথাও আটকে যাবে।’

ইআরএফ সভাপতি দৌলত আক্তার মালার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : editordailymail@gmail.com, newsroom.dailymail@gmail.com
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top