শনিবার, ২রা মে ২০২৬, ১৯শে বৈশাখ ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
শনিবার (২ মে) ভোররাতে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামের একটি ভাড়া বাসার তৃতীয় তলার কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত উর্মি বাউফল উপজেলার ইন্দ্রপুর গ্রামের বহিষ্কৃত পুলিশ সদস্য মহিববুর রহমান বাপ্পীর স্ত্রী। তিনি আমতলী পৌর শহরের শাহজাহান মিয়ার কন্যা এবং কলাপাড়া থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। দুই সন্তানের জননী উর্মি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারসহ কলাপাড়ায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ৮ মাস আগে উর্মি তার স্বামী বাপ্পী এবং দুই সন্তান দেড় বছরের ফারদিন ও চার বছরের ফারিস্তাকে নিয়ে পশ্চিম বাদুরতলীর বাসিন্দা আমিরুল ইসলামের পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়া ওঠেন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা।ঘটনার রাতে, শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উর্মির স্বামী,বাপ্পী কলাপাড়া থানায় ফোন করে জানান, তার স্ত্রী ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভোররাতে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঘরটি সুরক্ষিত রেখে আলামত সংগ্রহ করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছেন, মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পটুয়াখালী মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ বা সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর মানসিক সহায়তার জন্য নিহতের স্বামী ও দুই শিশু সন্তানকে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)