বৃহস্পতিবার, ১৯শে মার্চ ২০২৬, ৪ঠা চৈত্র ১৪৩২
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঈদযাত্রার শেষ সময়ে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো শিডিউল বিপর্যয় নেই বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সকালে সরেজমিন ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া যায়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, স্টেশনের ভেতরে ও বাইরে যাত্রীদের দীর্ঘ সারি, টিকিট কাউন্টারের সামনে ভিড়, প্ল্যাটফর্মে পরিবার-পরিজন নিয়ে অপেক্ষা; সব মিলিয়ে এক উৎসবমুখর কিন্তু ব্যস্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। অনেক যাত্রী নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই স্টেশনে এসে অবস্থান নিয়েছেন, যাতে কোনো ঝামেলা ছাড়াই ট্রেনে উঠতে পারেন।
জানা গেছে, আজ সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে বেনাপোলগামী রূপসি বাংলা এক্সপ্রেস ছেড়ে গেছে৷ সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে জয়ন্তীকা এক্সপ্রেস, নকশিকাঁথা, অগ্নিবীণা, রাজশাহী কমিউটার, নারায়ণগঞ্জ কমিউটার, মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসসহ বেশকিছু কোচ একের পর এক ঢাকা ছাড়বে।
সিলেটগামী যাত্রী তাসনিম শুভ্রা বলেন, ঈদের সময় ট্রেন মিস হওয়ার ভয় থাকে। তাই আগেই চলে এসেছি। ভিড় অনেক বেশি, তবে পরিবেশ ভালো লাগছে। আশা করি কোনো ঝামেলা ছাড়াই বাড়িতে যেতে পারবো।
খুলনাগামী যাত্রী রবিউল ইসলাম বলেন, শেষ সময়ে টিকিট পাওয়া কঠিন ছিল। তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। এখনো আগে ভাগেই চলে আসছি। স্টেশনে ভিড় থাকলেও সবাই মোটামুটি শৃঙ্খলার মধ্যে আছে।
এদিকে মোহনগঞ্জগামী যাত্রী আশিকুর রহমান বলেন, আগে ভাগেই চলে এসেছি। বাসায় তেমন কাজ নেই। আমার ট্রেন দুপুর ১টায়, তবে বন্ধুরাও এসেছে। তাদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে সময় কাটাচ্ছি, এরপর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেব।
বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এবিএম কামরুজ্জামান বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হয়নি। যাত্রীরা স্বস্তির সঙ্গে ঈদযাত্রা উপভোগ করছেন। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে যাত্রীরা নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন।
এদিকে স্টেশনে দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রেনের সময়সূচি ঠিক রাখতে রেল কর্তৃপক্ষও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)