বৃহস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩
ছবি: সংগৃহীত
‘মা’ ডাক— এক অন্যরকম অনুভূতি। প্রতিটি নারীরই এ ডাক শোনার বাসনা থাকে। মাতৃত্ব পরম তৃপ্তির একটি ব্যাপার।
নিরাপদে সন্তান প্রসবের জন্য নারীকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। থাকতে হয় সাবধানে। একটু ভুলেই বড় বিপদ হয়ে যেতে পারে।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় নারীর দেহে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক পরিবর্তন দেখা দেয়। তাই গর্ভাবস্থায় প্রত্যেক নারীরই নিজেদের শরীরের প্রতি বিশেষ নজর রাখা উচিত। কিছু সাবধানতা আছে, যেগুলো সন্তান পেটে আসার পর মেনে না চললে হতে পারে বড় বিপদ।
ভারি জিনিস ওঠানো: প্রেগন্যান্সির সময় কোমরে ব্যথার সমস্যায় প্রায় সব নারীই ভোগেন। এ সময় ভারি জিনিসপত্র তোলা বা আসবাবপত্র স্থানান্তর করা হয়ে উঠতে পারে বিপজ্জনক। তাই প্রেগন্যান্সির সময় বেশি ভারি জিনিস ওঠানো একেবারেই উচিত নয়।
কঠিন ব্যায়াম: ব্যায়াম বা এক্সারসাইজ করা স্বাস্থ্যের জন্য যে ভালো, সেটি সবারই জানা। কিন্তু গর্ভাবস্থায় এমন কোনো ধরনের কঠিন ব্যায়াম করা যাবে না, যার ফলে পেটে চাপ পড়ার সম্ভাবনা থাকে। অন্তত প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস যেকোন ধরনের কঠিন ব্যম করা থেকে বিরত থাকা উচিৎ।
হাঁটতে হবে ধীর গতিতে: গর্ভাবস্থায় অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা অথবা একটু জোরে হাঁটা একেবারেই উচিত নয়। তবে চাইলে ফাঁকা কোন জায়গায় আস্তে হাঁটতে পারেন, কিন্তু রাস্তায় বা ভিড় জায়গায় হাঁটা থেকে বিরত থাকতে হবে।
কেমিক্যালযুক্ত জিনিস: কেমিক্যালযুক্ত যে কোনো জিনিস ব্যবহার করার পরিবর্তে তার বিকল্প হিসেবে কোনো প্রাকৃতিক পণ্য ব্যবহার করতে হবে। আর যদি কোনো কিছু অথবা ভিনেগার বা বেকিং সোডা ধরনের কিছু ব্যবহার করতে হয় তবে সেগুলো ব্যবহার করার সময়ও গ্লাভস পরা
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)