বৃহস্পতিবার, ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯শে মাঘ ১৪৩২
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, দেশ যায় কোন দিকে, মানুষের সমস্যা যায় কোন দিকে। মানুষ কোন বিষয় নিয়ে সাফার করছে আর আমরা আলোচনা করছি কী? অদ্ভুত লাগে।
বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সংসদ অধিবেশনে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে আলোচনাকালে তিনি একথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, করোনাকালে অর্থনৈতিকভাবে কতগুলো পরিবার পঙ্গু হয়ে গেছে সেই খবর কি আমাদের কাছে আছে? করোনাকালে হাতেগোনা কিছু রিপোর্ট আসছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, করোনায় সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় পড়ে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে নিরুপায় হয়ে মানুষ বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে একেবারে সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, অনেকে প্রাণে হয়তো বেঁচে গেছেন কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে গেছেন। জমানো টাকা শেষ হওয়া থেকে শুরু করে বিরাট ঋণের জালে আটকা পড়েছেন বহু মানুষ। করোনার আগে যেখানে মধ্যবিত্ত ছিল ৭০ শতাংশ সেখানে মধ্যবিত্ত নেমে দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশ। দরিদ্র মানুষ যেখানে ছিল ২০ শতাংশ সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ শতাংশ। করোনাকাল বলে হয়তো এ ব্যাপারে মিডিয়ার কিছুটা মনোযোগ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু বেসরকারি মেডিক্যালে গিয়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার ইতিহাস কিন্তু নতুন কিছু নয়।
বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, করোনাকালে যে কয়টি বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে মানুষকে সর্বস্বান্ত করার অভিযোগ আসছে বলতে কষ্ট লাগে তার মধ্যে সব থেকে শীর্ষে আছে সরকার দলীয় একজন সংসদ সদস্যের হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজ। এই দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা সরকার ধীরে ধীরে বেসরকারি খাতে তার কর্মীদের হাতে এমনভাবে তুলে দিচ্ছে যে চট্টগ্রামে সিআরবি নামে যে জায়গাটি আছে, যেটিকে চট্টগ্রামের অক্সিজেন বলা হয়; সেটাও নাকি এখন বেসরকারি হাসপাতাল করার জন্য সেই জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হবে। রেলওয়ের জায়গা বলতে তো কিছু নেই। সবই রাষ্ট্রীয় জায়গা, এই রাষ্ট্রীয় জায়গা বেসরকারি খাতে তুলে দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)