বৃহস্পতিবার, ৫ই মার্চ ২০২৬, ২০শে ফাল্গুন ১৪৩২
ছবি : সংগৃহীত
শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সাত কলেজ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠন একটি সাময়িক সমাধান। সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য অংশীজনের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করা হবে।
বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম শুধু তদারকির পর্যায়ে সীমিত না রেখে স্ব-উদ্যোগে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। বৈশ্বিক শ্রমবাজারের চাহিদা উপযোগী মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দক্ষতা ও চাহিদা ভিত্তিক শিক্ষা কারিকুলাম প্রবর্তনে জোর দিতে হবে।
ইউজিসিকে দেশের উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, উচ্চশিক্ষার সাফল্য ও ব্যর্থতা ইউজিসির উপর নির্ভর করে। দেশে উচ্চশিক্ষাখাত ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের কার্যক্রম সঠিকভাবে তদারকি করা ও এগিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি ইউজিসিকে নির্দেশনা দেন। ২০২৪ সালের পরে ইউজিসির অর্জন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা লিখিতভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানানোর অনুরোধও জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিং বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান ক্রমান্বয়ে নিম্নমুখী যা একটি বড় সমস্যা। দেশে আন্তর্জাতিক মানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ও নেই। অন্তত একটি মানসম্পন্ন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইউনিভার্সিটি গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম এবং ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)